বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
 
সারাবাংলা
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ, টেকনাফে আতঙ্ক





ইউএনবি
Saturday, 10 February, 2024
10:24 PM
 @palabadalnet

মিয়ানমার থেকে ছোড়া আরপিজি পড়ে আছে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায়। ছবি: ইউএনবি

মিয়ানমার থেকে ছোড়া আরপিজি পড়ে আছে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায়। ছবি: ইউএনবি

মিয়ানমার ভূখণ্ড থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রয়ারি) রাতে ও শনিবার (১০ ফেব্রয়ারি) সকালে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এ্লাকাটিতে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে এখনো সংঘর্ষ চলছে বলে জানান তারা।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “শুক্রবার রাতে সীমান্তের ওপারে প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। শনিবার সকাল থেকে গোলাগুলির মাত্রা বাড়তে থাকে।”

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন। মাছ চাষীরা তাদের ঘেরে যেতে পারছেন না বলেও জানান চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী।

ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে একটি মর্টার শেল এসে পড়েছে। তিনি বলেন, “গত দুই দিন সীমান্ত শান্ত থাকলেও, শনিবার থেকে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।”

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্তে দুই সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তার সশস্ত্র বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলছে। এমন পরিস্থিতে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আরপিজি উদ্ধার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ধানক্ষেত থেকে শনিবার রকেটচালিত গ্রেনেড (আরপিজি) উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তুমব্রু পশ্চিম কুল বিজিবি ক্যাম্পের কাছে, ধান ক্ষেতে কাজ করার সময় তারা আরপিজিটি দেখতে পান। পরে তারা প্রশাসনকে জানান।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিজিটি হেফাজতে নেয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ, মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় আরপিজি ফেলে চলে যেতে পারে।

এর আগে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপায়তলী গ্রামের একটি বাড়ির রান্নাঘরে মিয়ানমারের দিক থেকে আসা মর্টার শেল আঘাত করে। এতে এক বাংলাদেশি নারী ও এক রোহিঙ্গা পুরুষ নিহত হয়েছেন।

সংঘাতের মধ্যে, বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) দুপুর পর্যন্ত মিয়ানমারের তিন শতাধিক সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

পালাবদল/এসএ


  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  
  এই বিভাগের আরো খবর  


Copyright © 2024
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
নির্বাহী সম্পাদক : জিয়াউর রহমান নাজিম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]